যে কোন সুস্থ্য ব্যক্তি তিন-চার মাস পর পর এক ব্যাগ (৪৫০ মিলিলিটার) রক্ত দিতে পারবেন। এই পরিমাণ রক্ত দিলে কোন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। রক্তদানের ফলে সুস্থ মানুষ কখনো অসুস্থ হয়ে পড়েন না। প্রত্যেক সুস্থ মানুষের শরীরের লোহিত কণিকাগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ৮০ থেকে ১২০ দিন পর পর ধ্বংস হয় এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রক্তকণিকা তৈরী হয়। রক্তের প্রয়োজন হলে আত্মীয়, বন্ধু বা পরিচিত ব্যক্তিদের থেকে নেওয়াই ভালো। পেশাদার রক্তদাতার রক্ত ভালো নাও হতে পারে। রক্ত দেওয়ার আগে খেয়াল রাখতে হবে যেন-
- রক্তদাতার বয়স ১৮-৬০ বছরের মধ্যে হয়,
- শরীরের ওজন হবে স্বাভাবিক (অন্তত ৫০ কেজি),
- শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে,
- রক্তচাপ ও রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক হতে হবে।
যারা রক্ত দিতে পারবেন না
- বড় কোন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি,
- স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং রক্তচাপ অস্বাভাবিক বেশি,
- যারা ইনসুলিন নেন তারাও রক্তদান করবেন না,
- ব্যবহৃত সূচের মাধ্যমে ওষুধ বা কোন নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণকারী ব্যক্তিও রক্তদান করবেন না।
রক্তদাতার জন্য পরামর্শ
- একদম খালি পেটে বা পুরো ভরা পেটে রক্ত দেওয়া উচিত নয়। হালকা খাবার গ্রহণের আধাঘন্টা থেকে একঘন্টার মধ্যে রক্ত দিতে হবে।
- রক্তদানের আগেই দু-তিন গ্লাস পানি পান করুন।
- রক্ত দেওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট বিশ্রাম নিন। সেদিন গাড়ি বা সাইকেল চালানো সহ যে কোন ভারী কাজ থেকে বিরত থাকুন।
- ধূমপায়ী ব্যক্তির রক্ত নিলে রোগীর কোন সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে ধূমপায়ী যেদিন রক্তদান করবেন সেদিন ধূমপান না করাই শ্রেয়।
- রক্তসঞ্চালনের আগে রোগী ও রক্তদাতার রক্তের গ্রুপ মেলানোর পাশাপাশি ক্রসম্যাচ ও স্ক্রিনিং পরীক্ষা জরুরী। এর দ্বারা জানা যায় দাতার শরীরে কোন রক্তবাহিত রোগ আছে কি না।
- তাপে রক্তকণিকা নষ্ট হয়ে যায়। তাই হিমায়িত রক্ত কখনো গরম করা উচিত নয়। ব্লাডব্যাংক থেকে রক্ত আনার ৩০ মিনিটের মধ্যে রক্তসঞ্চালন শুরু করতে হবে এবং ৪ ঘন্টার মাঝে শেষ করতে হবে।



.jpg)
.jpg)

.jpg)






