মুখ ও দাঁতের রোগের প্রধান লক্ষণ

সংবাদ প্রতিনিধি ১২:০৪ মিঃ, জুন ১৭, ২০১৯ Views : 342

আমাদের মুখ ও দাঁতের যে সকল সমস্যা দেখা যায় তা আমরা একটু সচেতন হলেই অনেকটা প্রশমিত করা সম্ভব ।

মুখ ও দাঁতের রোগের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:-

•             দাঁতে ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া ও রক্ত পড়া।

•             দাঁতে হলদে/বাদামী রং ধারণ করা।

•             দাঁতে শিরশির করা।

•             ঠোঁটে ও মুখে ঘা হওয়া ইত্যাদি।

এগুলো সবই খুব সাধারণ এবং সচরাচর প্রায় সবাই এসব সমস্যায় ভুগে থকেন। শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ও মুখের নানা সমস্যা বেশি দেখা যায় কেননা শিশুরা খাওয়ার পর মুখ পরিষ্কার করা ও দাঁত মাজার ব্যাপারে উদাসীন। মা-বাবা ঠিকভাবে তাদের যত্ন না করলে পরবর্তীতে শিশুর দাঁতের সঠিক বিন্যাস ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দাঁত ক্ষয় হতে পারে । এমনকি জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে। অতএব, শিশুদের অবশ্যই দাঁত,মাড়ি ও মুখের যথাযথ পরিচর্যা প্রয়োজন। দাঁতের স্বাভাবিক গঠন ঠিক রাখতে অভিভাবককে অবশ্যই শিশুদের সঠিকভাবে দাঁত মাজার কৌশল ও প্রতিবার খাবার পর কুলকুচি করে মুখ ধৌত করার অভ্যাস নিশ্চিত করতে হবে। কারন জমে থাকা এই খাদ্য জীবাণুদের আকৃষ্ট করে এবং জীবাণু বংশবৃদ্ধি করার সুযোগ পায়। এতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।

মুখে এবং ঠোঁটে ঘা হলে তা অবহেলা করা ঠিক নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেএই ঘা খুব সাধারণ হয়ে থাকলেও মুখের ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও এ ঘা হতে যা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে অনিরাময়যোগ্য হয়ে উঠে এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাছাড়া পান,তামাক,জদ্দা,সুপারি ইত্যাদি দীর্ঘদিন সেবন করে থাকলে এবং ধুমপানের অভ্যাস থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায় ।

সুতারাং মুখে ঘা হলে তা গুরুত্বের সাথে চিকিৎসা করানো আবশ্যক। মুখে ঘা এর অন্যান্য কাণরসমূহ:-

•আঘাত: মুখের মাড়ি আঘাতগ্রস্ত হলে অনেক সময় ঘা হয়। জোরে জোরে দাঁতব্রাশ করলেও মুখে বা মাড়িতে ঘা হতে পারে।

•এপথাস ঘা

•জীবাণু সংক্রমণ

•ছত্রাকজনিত ঘা। এটি খুব বেশি দেখা যায়। পর্যাপ্ত পরিচর্যার অভাবে, মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে, জীবাণু প্রতিরেোধ ক্ষমতা কমে গেলে বা ডায়াবেটিস হলে এটি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

•ভিটামিন ও আয়রনের অভাব। যেমন ভিটামিন-বি ৬, ভিটামিন-বি ১২ অথবা অন্য ওকান ভিটামিন।

•ভাইরাস সংক্রমণ

•ধুমপান,নেশাজাতীয় জিনিস, পান, মদ, খেলেও মুখে ঘা হয়।

•যাদের এইডস, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার এমন রোগ আছে তাদের মুখে ঘা হয়।

•রাতে না ঘুমালে অথবা দেরি করে ঘুমালে, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে, অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করলে মুখে ঘা হতে পারে।

•বংশগত কারণেও মুখের ভিতর আলসার হয়।

•মুখে অ্যালার্জি থাকলে তা ঘা-এর কারন হতে পারে।

•ঠান্ডা লাগলে মুখে ঘা হতে পারে ।

•তাছাড়া বিভিন্ন ব্যাধিতে মুখে ঘা হতে পারে। যেমন:-

•রক্তের ক্যান্সার

•লুপাস ( এসএলই ) ইত্যাদি।